About us

উত্তরা রেসিডেনসিয়াল কলেজ

EIIN-134526 College Code:1149, School Code:1321

প্লট # ৩৭, রোড # ১১, সেক্টর # ০৪, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০

মোবাইল: ০১৯২৭-৯৩০২০১, ০১৭৫৪-৩৯০৯১০, ০১৭১৭-১০৭৪৪৬

 

প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যঃ

  • দেশীয় শিক্ষায় বিশ্ব নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
  • চারিত্রিক গুণাবলির উৎকর্ষ সাধন।
  • প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ।
  • সৃজনশীল জ্ঞান ও মেধার উৎকর্ষ সাধন।
  • নৈতিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রাধান্য।
  • শুদ্ধ উচ্চারণ ও সুন্দর বাচনভঙ্গী নিশ্চিতকরণ।
  • বিভিন্ন সহশিক্ষামূরক কার্যক্রম অনুশীলনের মাধ্যমে স্বদেশপ্রেম জাগ্রত করা।
  • সৃজনশীল ও কর্মমূখী শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বায়নের উপযোগী আলোকিত মানুষ তৈরি করা এবং দক্ষ মানব সম্পদ ও জাতি গঠন করা।

 

বিশেষ বৈশিষ্ট্যঃ

  • কোন প্রকার প্রাইভেট বা কোচিং ছাড়াই কলেজ কর্তৃক প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণের মাধ্যমে শিক্ষণ কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ। শিক্ষার্থীদেরকে সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর জ্ঞানসমৃদ্ধ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
  • মিক্ষাদান পদ্ধতিকে আনন্দময় ও আকর্ষনীয় করার লক্ষ্যে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, কম্পিউটার, সিডি, ভিসিডিসহ আধুনিক প্রযুক্তির মধ্য দিয়ে শিক্ষাদান।
  • ইংরেজি ভাষার উপর অধিক গুরুত্বারোপ।
  • বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা শ্রেনি কার্যক্রম পরিচালনা এবং শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদান। সুন্দর ও নির্ভুল বাংলা এবং ইরেজি হাতের লেকার প্রতি সর্বাধিক গুরুত্বারোপ।
  • প্রতি সপ্তাহে শ্রেণি মূল্যায়ন এবং প্রতি মাসে মাসিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর শিক্ষার অগ্রগতি যাচাইকরণ।
  • অভিভাবকগণের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ও তাদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ।
  • শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগসহ অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব।
  • শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক ও গবেষণাধর্মী করার লক্ষ্যে অত্যাধুনিক সায়েন্স ল্যাবের ব্যবস্থা।
  • নিয়মিত মনিটরিং ও মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর সফলতা/ দূর্বলথা চিহ্নিতকরণ এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ।
  • মানসিক ও চারিত্রিক উন্নতি সাধনের জন্য নিয়মিত কাউন্সিলিং।
  • পড়ালেখায় আগ্রহী করার জন্য শিক্ষকমন্ডলী নানা ধরনের কৌশল অবলম্বন করে থাকে ন তাতে শিক্ষার্থীদের একঘেয়েমিভাব দূর হয় এবং শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় অধিক মনোযোগী হয়।
  • অর্ধ-বার্ষিক এবং বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল অভিভাবকের উপস্থিতিতে প্রকাশ করা হয় তাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
  • প্রতি শ্রেণিতে সেকশন/ বিভাগ ওয়ারি একজন গাইড টিচার/ ফর্ম টিচার নির্ধারণ করা হয় যিনি সার্বক্ষনিকভাবে শিক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণ করে থাকেন এবং যে কোন সমস্যায় দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।দুর্বল ও অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা।